আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। বাংলাদেশে সাংবাদিক শফিক রেহমান ১৯৯৩ সালে ‘যায়যায়দিন’-এ দিবসটি প্রচলিত করেন। উৎসবের মূল ইতিহাস প্রাচীন রোমে ‘ফেব্রুয়ালিয়া’ বা লুপারকালিয়া উৎসব থেকে এবং খ্রিস্টান ধর্মযাজক ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুর স্মরণে। দিবসটি ব্যক্তিগত সম্পর্কের পাশাপাশি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়। অনেক দেশে ফুল, কার্ড ও উপহার দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।
বিয়ের আদর্শ বয়স ব্যক্তিগত প্রস্তুতি, মানসিক পরিপক্বতা ও জীবনের লক্ষ্য নির্ভর। ২০-২৫ বছরে বিয়ে করলে দাম্পত্য ও যৌন সন্তুষ্টি বেশি থাকে, তবে ঝুঁকি থাকে। ২৫-৩৪ বছরে বিয়ে করলে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা কমে এবং আর্থিক ও মানসিক স্থিতি ভালো হয়। নারীদের ক্ষেত্রে কম বয়সে বিয়ে পরিবার গঠনে সুবিধা দেয়, দেরিতে বিয়ে করলে ক্যারিয়ার ও সঙ্গী নির্বাচনে স্বাধীনতা বৃদ্ধি পায়।
ক্যালসিয়াম মানবদেহের হাড়, দাঁত, পেশি, স্নায়ু ও হৃৎস্পন্দনের জন্য অপরিহার্য। কৈশোর, গর্ভাবস্থা, স্তন্যদান ও মেনোপজে চাহিদা বেশি থাকে। দুধ, দই, পনির, মাছ, বাদাম ও সবুজ শাকসবজি প্রধান উৎস। ভিটামিন-ডি ও ম্যাগনেসিয়াম ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়ক। অতিরিক্ত লবণ, চা-কফি, ধূমপান ও অ্যালকোহল শোষণ কমায়। প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাস ও সকালের রোদে হাঁটা বয়স অনুযায়ী হাড় মজবুত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
আতাফল প্রাকৃতিকভাবে কম ক্যালোরিযুক্ত ও সুস্বাদু ফল, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে থাকা সহজপাচ্য ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখে ও ক্ষুধা কমায়। অ্যাসটোজেনিন উপাদান বিপাকহার বাড়িয়ে ক্যালরি ঝরাতে সহায়তা করে। আতাফল রক্তের শর্করা স্থিতিশীল রাখে, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, কিডনি স্বাস্থ্য ও পেশি মজবুত করাতেও উপকারী।
ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চিকিৎসাযোগ্য। দেরিতে রোগ নির্ণয় অনেক মৃত্যুর কারণ। সতর্ক উপসর্গের মধ্যে আছে দীর্ঘমেয়াদি কাশি, গলা বা ত্বকের পরিবর্তন, অকারণ ফোলা বা গাঁট, অস্বাভাবিক রক্তপাত, ওজন কমা, ক্লান্তি, ঘাম বা জ্বর। সময়মতো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও স্ক্রিনিং টেস্ট যেমন প্যাপ স্মিয়ার, ম্যামোগ্রাফি ও প্রস্টেট পরীক্ষা জীবন বাঁচাতে পারে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও ধূমপান ত্যাগ ঝুঁকি কমায়।
নওগাঁ জেলায় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। ৪০–৫০ বছর বয়সী ওই নারী কাঁচা খেজুরের রস পান করার পর সংক্রমিত হন। রাজশাহী বিভাগে নতুন সংক্রমণ সনাক্ত হওয়ায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক মহামারির ঝুঁকি কম। বাংলাদেশে ২০০১ থেকে এখন পর্যন্ত ৩৪৮ জন আক্রান্ত, মৃত্যুহার ৪০–৭৫ শতাংশ। কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা টিকা নেই।
জানুয়ারিতে উত্তরাঞ্চলের এক নারী নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, মৃত্যুর একদিন পর পরীক্ষা নিশ্চিত করে সংক্রমণ। আক্রান্ত নারীর সংস্পর্শে আসা ৩৫ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, সবার ফল নেগেটিভ। নিপাহ সাধারণত বাদুড় দূষিত ফল বা খাদ্যপণ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। সংক্রমণ সাধারণত উচ্চ-মৃত্যুর হার (৭৫%) যুক্ত হলেও সংক্রামক নয়। এ কারণে এশিয়ার বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে।
নবজাতকের ওজন ২.৫ কেজির কম হলে লো বার্থ ওয়েট, ১.৫ কেজির কম হলে ভেরি লো বার্থ ওয়েট, ৭৫০ গ্রামের কম হলে এক্সট্রিম লো বার্থ। কিশোরী মা, অকাল জন্ম বা মাতৃরোগ শিশুর ওজন কমাতে পারে। কম ওজনের শিশু অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে, তাই উষ্ণ রাখা, পরিচ্ছন্নতা, সঠিক পুষ্টি এবং প্রয়োজন হলে হাসপাতাল ও ইনকিউবেটর চিকিৎসা প্রয়োজন।
শবে বরাতকে গুনাহ মাফ ও ভাগ্য নির্ধারণের রাত হিসেবে গণ্য করা হয়। এ উপলক্ষে মানুষ আনন্দ প্রকাশ ও কৃতজ্ঞতাস্বরূপ হালুয়া বা মিষ্টি তৈরি করে। জনপ্রিয় হালুয়া হলো—বুটের হালুয়া, সুজির হালুয়া, গাজরের হালুয়া ও বাদামের হালুয়া। এগুলোর জন্য চিনি, এলাচ, দারুচিনি, ঘি, বাদাম ও দুধ ব্যবহার করা হয়। ধীরে নেড়ে ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়।
মাছ ফ্রিজে সঠিকভাবে রাখলে নিরাপদ থাকে। তাজা সামুদ্রিক মাছ ১–২ দিন, বড় মাছ ৩–৫ দিন, তৈলাক্ত মাছ ৩ দিনের বেশি রাখার পর স্বাদ ও নিরাপত্তা নষ্ট হয়। রান্না করা মাছ ফ্রিজে ২–৩ দিন ভালো থাকে। ফ্রিজারে মাছের আর্দ্রতা প্রতিরোধক কাগজ বা ফয়েলে মুড়িয়ে রাখা উচিত। একবার গলানো মাছ আবার ফ্রিজে জমানো নিরাপদ নয়।
ব্ল্যাক গার্লিক হলো নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও আর্দ্রতায় সাদা রসুন রাখার মাধ্যমে তৈরি কালচে, মিষ্টি ও গন্ধহীন রসুন। এতে অ্যালিসিন ‘এস-অ্যালিল সিস্টাইন’ এ রূপান্তরিত হয়ে শরীরে সহজে শোষিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সরবরাহ করে। এটি হজমবান্ধব, মুখে দুর্গন্ধ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, হৃৎপিণ্ড ও লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। দিনে ১–২ কোয়া খাওয়া যথেষ্ট, তবে রক্ত পাতলা করার ওষুধ নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পেছনে চাপ আর ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, যা ভাইরাল সংক্রমণ বা ঋতু পরিবর্তনের কারণে হয়ে থাকে। আরএসভি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও অন্যান্য ভাইরাস এ লক্ষণ সৃষ্টি করে। শীত-বসন্তের তাপের ওঠাপড়া, শুষ্ক বাতাস, সাইনাস চাপ ও পেশি শক্তি মাথাব্যথা বাড়ায়। শিশু, প্রবীণ ও শ্বাসকষ্টের রোগীরা বেশি ঝুঁকিতে। গরম কাপড়, পর্যাপ্ত পানি, হালকা ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যবিধি মানা সহায়ক।
শীতকালে দিনের আলো কমে যাওয়া ও ঠাণ্ডা আবহাওয়ার কারণে ঘুমে ব্যাঘাত হওয়া স্বাভাবিক। ঘুম ভালো রাখতে ওষুধ না খেয়ে প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি। ঘুমের আগে উষ্ণ, ক্যাফিনমুক্ত পানীয় যেমন দুধ, মধু, দারুচিনি, হলুদ, আদা, তুলসি, অশ্বগন্ধা, ল্যাভেন্ডার বা ক্যামোমাইল চা স্নায়ুতন্ত্র শিথিল করে, মানসিক চাপ কমায় এবং রাতের ঘুমের গুণগত মান উন্নত করে।
হাঁটুর ব্যথা ও অস্টিয়োআর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় প্লাটিলেট রিচ প্লাজমা (পিআরপি) থেরাপি কার্যকর হতে পারে। রোগীর রক্ত থেকে প্লাটিলেটসমৃদ্ধ প্লাজমা সংগ্রহ করে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে ইনজেকশন দেওয়া হয়, সাধারণত তিন ধাপে। এটি ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত ও নতুন কোষ গঠনে সহায়তা করে। প্রাথমিক বা মাঝারি অস্টিয়োআর্থ্রাইটিস, আঘাত বা লিগামেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত রোগীদের জন্য কার্যকর। অ্যালার্জি ঝুঁকি কম, তবে শেষ পর্যায়ে হাঁটুর ক্ষয় হলে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন।
অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় দীর্ঘমেয়াদে ওষুধ ক্ষতিকর হতে পারে, তাই খাবারের দিকে মনোযোগ দেওয়া ভালো। পুদিনা পাতা, আদা, জিরা ও লবঙ্গ পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। খালি পেটে হালকা গরম পানি পান করলে উপকার হয়। পুদিনা চিবানো বা ফুটিয়ে খাওয়া যায়। আদা চিবিয়ে বা রস খেলে অ্যাসিড কমে। জিরা ও লবঙ্গ হজম ভালো রাখে, গ্যাস ও পেট ফাঁপা কমায়।
To avail this feature, please use our app.
Click here Play Store - App Store to download.